• Separator
  • টেস্ট
  • Separator
  • যে কোনো বিষয়ে শরীয়ী সমাধান ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন ডিটা প্রধান কার্যালয় — জামিয়া সুফফাহ শারকিয়া, দারুল ইফতায়।
  • Separator
  • দাওয়াহ, জ্ঞান ও সেবায় সমৃদ্ধ উম্মাহ গড়তে সাথে থাকুন।
  • Separator
  • প্রতি শুক্রবার নিয়মিত ইসলাহী প্রোগ্রাম এবং প্রতি ইংরেজি মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার দারুসুল কুরআন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়—স্থান: সুত্রাপুর, বগুড়া।
  • Separator
  • টেস্ট
  • Separator
  • টেস্ট
  • Separator
  • যে কোনো বিষয়ে শরীয়ী সমাধান ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন ডিটা প্রধান কার্যালয় — জামিয়া সুফফাহ শারকিয়া, দারুল ইফতায়।
  • Separator
  • দাওয়াহ, জ্ঞান ও সেবায় সমৃদ্ধ উম্মাহ গড়তে সাথে থাকুন।
  • Separator
  • প্রতি শুক্রবার নিয়মিত ইসলাহী প্রোগ্রাম এবং প্রতি ইংরেজি মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার দারুসুল কুরআন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়—স্থান: সুত্রাপুর, বগুড়া।
  • Separator
  • টেস্ট

নামাজের সময়

লোড হচ্ছে...
ঢাকা, বাংলাদেশ

    আমাদের সম্পর্কে

    দাওয়াহ ও ইসলামিক থট একাডেমি (DITA) শিক্ষা, দাওয়াহ ও পূর্ণত মানবকল্যাণে নিবেদিত একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সেবামূলক সরকার নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান।

    মানুষ জ্ঞান, মূল্যবোধ ও অর্থপূর্ণ জীবনের অনুসন্ধানী এক সত্তা। তার অস্তিত্বের গভীরে লুকিয়ে আছে এক প্রবল আকাঙ্ক্ষা—সত্যকে স্পর্শ করার, সত্যের আলোয় নিজেকে আবিষ্কার করার আকুতি। সে জানতে চায় নিজের পরিচয়, জীবনের অর্থ, জীবনের গন্তব্য ও সাফল্যের মানদণ্ড। জানতে চায় এই পৃথিবীর শুরু ও শেষের রহস্য। ব্যক্তি ও সমাজের সুস্থ বিকাশের জন্য সে অনুসন্ধান করে সঠিক দিকনির্দেশনা, ভারসাম্যপূর্ণ চিন্তা এবং দায়িত্বশীল আচরণের পথ। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—এই গভীর অনুসন্ধানের আলো সে কোথায় পাবে?

    মানবসত্তার সেই অন্তর্নিহিত পিপাসার প্রকৃত নিবারণ হলো ইসলাম। ইসলামকে সাজানো হয়েছে মানুষের ফিতরাতের সাথে সামঞ্জস্য রেখে—এই সত্তাকে লালন, পরিশুদ্ধ ও পরিপূর্ণ করার লক্ষ্যে। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, অনেক মানুষ ইসলামের প্রকৃত বার্তা জানে না; জানে না তার সঠিক চিন্তা ও দর্শন। তারা বোঝে না কীভাবে ইসলামের সাথে অন্তর ও আত্মার গভীর সংযোগ স্থাপন করতে হয়। একদিকে জ্ঞানের স্বল্পতা, অন্যদিকে ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা, অপব্যবহার ও বিকৃত উপস্থাপন—এই দুইয়ে মিলে মানুষ ক্রমেই ইসলামের আলো থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শুধু একটি সম্প্রদায় নয়, বরং সমগ্র মানবজাতি, মানবতা, সমাজ ও বিশ্বব্যবস্থা। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই শায়েখ মুফতী আবদুল্লাহ নাজীব হাফিযাহুল্লাহ্‌র তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দাওয়াহ ও ইসলামিক থট একাডেমি (DITA)।

    আরও জানুন

    দৈনিক আমল

    প্রতিদিনের ইবাদত — হৃদয় ও জীবন আলোকিত করার রুটিন

    09:00:00 AM
    শনিবার শীতকাল
    07 February 2026
    ঈসায়ী
    18 Sa'ban 1447
    হিজরী
    ২৪ মাঘ ১৪৩২
    বঙ্গাব্দ

    আপনার জিজ্ঞাসা

    ইসলাম সম্পর্কে প্রশ্ন করুন—সত্যের সন্ধানে, দীনী প্রয়োজনে

    জিজ্ঞাসা করুন

    পরবর্তি কর্মশালা

    আসন্ন কর্মশালা — জ্ঞান, তফাক্কুর ও দক্ষতা অর্জন করুন

    আকীদা-ফিকির ও আধুনিক বিভ্রান্তি

    ত্বলাবাদের পিছিয়ে পড়ার কারণ ও করণীয়

    ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ঈ.
    সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত
    লা-ভিস্তা হোটেল, জলেশ্বরীতলা, বগুড়া

    গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট

    ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপসমূহ

    রচনা ও প্রকাশনা কার্যক্রম

    রচনা ও প্রকাশনা কার্যক্রম

    পরিবর্তনশীল—একই সঙ্গে গতিশীল। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে যুগের চাহিদাও পরিবর্তিত হয়। মানুষের চিন্তা, চেতনা ও বুদ্ধিবৃত্তিক কাঠামো যুগের প্রভাবেই গঠিত ও রূপান্তরিত হয়। বদলে যায় চিন্তার ফ্রেম, মূল্যায়নের মাপকাঠি, রুচিবোধ ও প্রত্যাশা। মানুষ ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে নতুন উপস্থাপনা, নতুন ধারা, নতুন শব্দ ও পরিভাষার সাথে। এটি এক অস্বীকারযোগ্য বাস্তবতা—যার ফলশ্রুতিতে বহু কালজয়ী গ্রন্থও সময়ের ব্যবধানে পাঠক হারায়, সীমিত পরিসরে আবদ্ধ হয়ে পড়ে। এই বাস্তবতা যত গভীরভাবে উপলব্ধি করা যায়, ততই স্পষ্ট হয়ে ওঠে নতুন রচনা ও প্রকাশনার অপরিহার্যতা। আধুনিক বিশ্বে পাঠকও আধুনিক। সুতরাং তাদের জন্য প্রয়োজন আধুনিক রচনা—যেখানে পাঠকের চিন্তা-চেতনা, বোধ ও বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা বিবেচনায় রেখে বিষয়বস্তু উপস্থাপন করা হবে। সময়োপযোগী নতুন লেখার পাশাপাশি প্রয়োজন উপযুক্ত গ্রন্থের অনুবাদও। তবে অনুবাদ সর্বাবস্থায় যথেষ্ট নয় এবং স্থায়ী সমাধানও নয়। বরং প্রকৃত প্রয়োজন হলো—আমাদের সালাফ ও আকাবিরীনদের চিন্তা-চেতনার গভীরতা ধারণ করে আধুনিক পাঠকের উপযোগী করে নতুন উপস্থাপনা ও মৌলিক রচনা তৈরি করা। এই নতুন রচনার সাথে সাথে প্রকাশনায় থাকতে হবে আভিজাত্য, আকর্ষণীয় অবয়ব, মানসম্মত সম্পাদনা এবং উন্নত মুদ্রণ। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই ডিটা একাডেমি রচনা ও প্রকাশনা ক্ষেত্রে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে— ডিটা একাডেমির রচনা ও প্রকাশনা উদ্যোগ ১. ইসলামের বিভিন্ন শাখায় সময়োপযোগী নতুন বই রচনা ২. নির্বাচিত ও প্রয়োজনীয় গ্রন্থের মানসম্মত অনুবাদ ৩. “আফকারে আকাবির” সিরিজ—আকাবির উলামায়ে কেরামের চিন্তাধারার আধুনিক উপস্থাপনা ৪. আমল গাইড রচনা — সাধারণ মুসলিমের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ, সুস্পষ্ট ও শুদ্ধ ইসলামী পথে পরিচালনার লক্ষ্যে ব্যবহারিক দিকনির্দেশনামূলক গ্রন্থ প্রণয়ন। ৫. ইস্যুভিত্তিক প্রবন্ধ ও নিবন্ধ রচনা — সমসাময়িক সামাজিক, নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক চ্যালেঞ্জকে কেন্দ্র করে বিশ্লেষণধর্মী, চিন্তাশীল ও দাওয়াহভিত্তিক লেখা প্রস্তুত। ৬. বুকলেট ও ইশতেহার রচনা ও প্রকাশ — দাওয়াহ ও সামাজিক সচেতনতা বিস্তারের লক্ষ্যে সংক্ষিপ্ত, প্রাঞ্জল ও প্রভাবশালী উপকরণ রচনা ও প্রচার। ৭. শিশু-কিশোরদের জন্য নৈতিক ও শিক্ষামূলক শিশুতোষ বই রচনা ৮. ইসলামী সাহিত্য ও চিন্তাশীল গল্প নির্মাণ এই কার্যক্রমের মাধ্যমে ডিটা একাডেমি ইসলামি রচনা ও প্রকাশনাকে কেবল সংরক্ষণের স্তরে নয়, বরং যুগোপযোগী, চিন্তাশীল ও প্রভাবশালী দাওয়াহের মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

    বিস্তারিত দেখুন
    গবেষণা ও সৃজনশীল কার্যক্রম

    গবেষণা ও সৃজনশীল কার্যক্রম

    তথ্যই শক্তির উৎস। নতুন তথ্য অনুসন্ধান ও প্রয়োগের মাধ্যমে মানুষ, সমাজ ও জাতি এগিয়ে যায়। ইতিহাস প্রমাণ করে, যেসব জাতি উন্নতি করেছে, তারা সবসময় নতুন জ্ঞান ও তথ্যের অনুসন্ধানে নিয়োজিত ছিল এবং তা প্রয়োগে সফল হয়েছে। মুসলিম উম্মাহর অবনতি ও পিছিয়ে থাকার একটি বড় কারণ হলো গবেষণা ও জ্ঞানে পিছিয়ে থাকা, যেখানে পশ্চিমাদের উত্থান মূলত জ্ঞান, বিজ্ঞান ও সৃজনশীলতায় এগিয়ে থাকার কারণে। মুসলিম দার্শনিক ও কবি ইকবাল-এর ভাষায়: “قوت افرنگ از علم و فن است **** از همین آتش چراغش روشن است حکمت از قطع و برید جامه نیست **** مانع علم و هنر عمامه نیست” যদি মুসলিম উম্মাহ সত্যিকারভাবে এগিয়ে যেতে চায়, তবে গবেষণা ও সৃজনশীলতায় সক্রিয় থাকা অপরিহার্য। ইসলাম ও মানবতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন নেতিবাচক মতবাদ ও ধারণা তৈরি হয়েছে, যা মানুষকে ধীরে ধীরে ক্ষতির দিকে ঠেলে দেয়। এসব ভুল ধারণা দূর করতে এবং সঠিক চিন্তা ও পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করতে যথাযথ ও বস্তুনিষ্ঠ গবেষণা প্রয়োজন। ইসলাম সবসময় গবেষণা, তথ্য অনুসন্ধান এবং চিন্তাশীলতাকে উৎসাহিত করেছে। এই বাস্তবতা উপলব্ধি করে ডিটা একাডেমি গবেষণা ও সৃজনশীল কার্যক্রমে বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— · ইসলামাইজেশন অফ নলেজ · কুরআন ও হাদিসে বৈজ্ঞানিক মুজিজা · আফকারে কুরআন সিরিজ · ইসলামিক থট প্রোগ্রাম · ইযহারে হক কার্যক্রম · ইসলামী সভ্যতা ও সংস্কৃতি প্রোগ্রাম · এবং আরও অনেক গবেষণা ও সৃজনশীল প্রকল্প

    বিস্তারিত দেখুন
    শিক্ষা কার্যক্রম

    শিক্ষা কার্যক্রম

    দাওয়াহর প্রতিটি পদক্ষেপে শিক্ষার গুরুত্ব ও ইতিবাচক প্রভাব অপরিহার্য। ডিটা একাডেমি শিক্ষাকে বিস্তৃত, সার্বজনীন এবং কার্যকর করার জন্য নানা উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। বিশেষভাবে, শিক্ষা বঞ্চিত শিশুদের জন্য শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা, প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা, এবং বয়স্ক নারী-পুরুষের জন্যও শিক্ষা কার্যক্রম নিশ্চিত করা—এসবই একাডেমির মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি, পাঠাগার প্রতিষ্ঠা এবং প্রয়োজনীয় বই সরবরাহের মাধ্যমে জ্ঞানচর্চা ও চিন্তাশীলতা সম্প্রসারণেও কাজ করা হচ্ছে। শিক্ষা কার্যক্রমের বিশেষ লক্ষ্য হলো কার্যকরী দাওয়াতী দক্ষতা তৈরি করা। এই উদ্দেশ্যে ডিটা একাডেমি বিভিন্ন স্তরের প্রোগ্রাম পরিচালনা করে— এসেনশিয়ালস অফ ইসলাম কোর্স এসেনশিয়ালস অফ দাওয়াহ কোর্স ডিপ্লোমা ইন দাওয়াহ ইসলামাইজেশন অফ নলেজ কোর্স ইস্যুভিত্তিক দাওয়াহ কোর্স জ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতা প্রোগ্রাম এসব প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও অংশগ্রহণকারীরা শুধু জ্ঞান অর্জন করেন না, বরংদাওয়াহে দক্ষতা, নৈতিক বোধ ও বাস্তবমুখী প্রয়োগের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করার সক্ষমতাঅর্জন করেন।

    বিস্তারিত দেখুন
    খিদমাহ কার্যক্রম

    খিদমাহ কার্যক্রম

    ইসলামে দাওয়াহ মূরত খিদমাহ সেবা ও মানবকল্যাণমুখী। নবীজীর পরিচয় নবী হওয়ার পূর্বে ছিল সম্পূর্ণ সেবা-কেন্দ্রিক, এবং নবী হওয়ার পরও তিনি সর্বোচ্চ মানবসেবা প্রদর্শন করেছেন। তিনি সৃষ্টিজগতের সকলকে সেবা করেছেন—মুসলিম ও অমুসলিম উভয়কেই। মদিনায় হিজরত করার পর প্রথম যা করেছিলেন, সেটিও ছিল সেবামূলক: “তোমরা সালাম তথা শান্তি ছড়িয়ে দাও এবং অন্যকে খাবার দাও।” সৃষ্টির প্রতি দয়া দেখানো এবং সৃষ্টিকে সেবা করার নির্দেশ আল্লাহই দিয়েছে। তাই ইসলামের অন্যতম পরিচয় হলো সেবা ও মানবতার ধর্ম। ইসলাম মানবতা ও সেবার মাধ্যমে সর্বোচ্চ মূল্যবোধের শিক্ষা দিয়েছে। এই মানবসেবার ঐতিহ্য ও সৌন্দর্য আজও উজ্জ্বলভাবে বিরাজমান। ডিটা একাডেমি এই সৌন্দর্যকে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে খিদমাহ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এর মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষ এবং সমাজের প্রতিটি অংশকে সেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল প্রেরেণা। বিশেষভাবে, নিম্নলিখিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে— · শিক্ষা সেবা কার্যক্রম: শিক্ষা বঞ্চিত শিশু, তরুণ ও বয়স্কদের জন্য শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা। · স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম: স্বাস্থ্য সচেতনতা ও প্রাথমিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়া। · খাদ্য সেবা কার্যক্রম: দরিদ্র ও অসহায়দের জন্য খাদ্য বিতরণ। · স্বাবলম্বী সেবা কার্যক্রম: মানুষকে স্বনির্ভর করার জন্য প্রশিক্ষণ ও সহায়তা। · সামাজিক সেবা কার্যক্রম: সমাজে নৈতিকতা, শান্তি ও সহযোগিতার সংস্কৃতি প্রচার করা। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে ডিটা একাডেমি ইসলামের মানবিক মূল্যবোধ ও সেবামূলক ঐতিহ্যকে বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে দিতে কাজ করে যাচ্ছে।

    বিস্তারিত দেখুন
     ইসলাহী কার্যক্রম

    ইসলাহী কার্যক্রম

    সমাজের ভিত্তি হলো ব্যক্তি, আর ব্যক্তির চালিকা শক্তি হলো তার মন ও মনোজগৎ। ডিজিটাল যুগের ঝলক এবং প্রযুক্তির প্রভাবে মানুষের মনজগৎ বিভ্রান্ত হয়ে গেছে। তারা হারিয়েছে স্বস্তি ও আত্মিক স্থিরতা। হতাশা, অস্থিরতা ও মানসিক চাপ বেড়ে গেছে। অনেকেই দ্বিধাগ্রস্ত এবং আস্থাহীন হয়ে পড়েছে। মানুষ ভুলে গেছে তাদের স্রষ্টা, রাব্বুল আলামীনকে। এই বাস্তবতায় মানুষের মন ও মনোজগৎকে পুনর্গঠন এবং সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার জন্য ডিটা একাডেমি ইসলাহী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এর মাধ্যমে নেতিবাচক মনোভাব দূর করা, ইতিবাচক চিন্তা জাগানো, মানব ফিতরাতকে সতেজ রাখা এবং হতাশা ও মানসিক চাপ থেকে মুক্তির পথ দেখানো হয়। সর্বোপরি, মানুষের মন স্রষ্টার চেতনা দ্বারা পূর্ণ করা, দীন ও ঈমানের প্রতি আগ্রহ উদ্দীপিত করা, এবং আমলকে শক্তিশালী করার যোগ্যতা তৈরি করাই ইসলাহী কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য। এই কার্যক্রম নারী-পুরুষসহ সকল পেশার মানুষের জন্য উন্মুক্ত। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে আত্মবিশ্বাসী ও আখিরাহ-মুখী করার জন্য রয়েছে নানা উদ্যোগ ও প্রোগ্রাম—

    বিস্তারিত দেখুন
    দাওয়াহ কার্যক্রম

    দাওয়াহ কার্যক্রম

    কল্যাণের আহবানই প্রকৃত দাওয়াহ। দীনী কল্যাণ, জাগতিক কল্যাণ ও সামাজিক কল্যাণ—সবই দাওয়াহ কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত। এটি একটি বিস্তৃত ভুবন, যার মূল প্রতিপাদ্য হলো ঈমানী প্রেরণা, মানবকল্যাণ এবং সামাজিক ইনসাফ। কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষকে দীনের কল্যাণের পথে আহবান জানানো, সত্য ও কল্যাণের পথে যারা বিভ্রান্ত বা সংশয়ে আছে তাদের ফিরিয়ে আনা, এবং যারা এখনও মহা সত্যের অনুসন্ধানে আছে তাদের পথপ্রদর্শন করা হয়। সকলের দরগোড়ায় ঈমানের ডাক ও ফিতরতের ভাবনা পৌঁছে দেওয়া। দীন, বিশ্বাস ও সামাজিক বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা। যারা কল্যাণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, দীন ও ঈমানকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করছে, এবং যারা নানাভাবে সংঘাত সৃষ্টি করছে দীন ও মানুষের মাঝে—তাদের সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করা। সঠিক চিন্তা ও চেতনার সঙ্গে পরিচিত করা। ডিটা একাডেমির দাওয়াহ উদ্যোগ সার্বজনীন ও সর্বসকলের জন্য—তরুণ সমাজ, পেশাজীবী, শিক্ষিত জনগোষ্ঠী, গ্রাম্য ও শহুরে সবাই অন্তর্ভুক্ত। সকলের কাছে দাওয়াহ ও ইসলামিক থট পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই বেশ কিছু কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।

    বিস্তারিত দেখুন
    আরও জানুন

    আমাদের সেবা

    শিক্ষা • সেবা • তাযকিয়া — সমগ্র সমাজকে এগিয়ে নেয়ার প্রতিশ্রুতি

    শিক্ষা

    শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম ডিটা একাডেমি জানুয়ারি মাস মানেই নতুন শিক্ষা বর্ষের সূচনা—নতুন স্বপ্ন, নতুন প্রত্যাশা আর নতুন শিক্ষাযাত্রা। এই আনন্দঘন সময়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে ডিটা একাডেমি গ্রহণ করেছে একটি মানবিক ও সেবামূলক উদ্যোগ—“শিক্ষা সেবা কার্যক্রম”।

    খাদ্য

    মানবতার সেবায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে ডিটা একাডেমি পরিচালনা করছে “খাদ্য সেবা কার্যক্রম”। সমাজের দরিদ্র, অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের খাদ্য সংকট লাঘবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

    স্বাবলম্বী

    দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে ডিটা একাডেমি পরিচালনা করছে “স্বাবলম্বী সেবা কার্যক্রম”। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো অসচ্ছল ও বেকার মানুষদের আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করা।

    সামাজিক

    সমাজের কল্যাণ ও মানবতার সেবায় নিবেদিত ডিটা একাডেমি বিভিন্ন সময় পরিচালনা করে থাকে “সামাজিক সেবা কার্যক্রম”। সমাজের অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও প্রয়োজনগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।

    আরও জানুন

    কেন DITA

    ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপসমূহ

    দাওয়াহ

    কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সর্বজনীন দাওয়াহ চর্চা করা। উম্মাহর মাঝে ঈমানি চেতনা জাগ্রত করা, দীনের হেফাজত ও প্রচারে কার্যকর ভূমিকা রাখা এবং সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ ও বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে দীনের সঠিক আহ্বান সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দেওয়া।

    তাযকিয়া

    মন ও মস্তিষ্ককে ইতিবাচক শক্তিতে গড়ে তোলা। বান্দা ও আল্লাহ তাআলার সঙ্গে সম্পর্ককে সুদৃঢ় করা। অন্তরের পরিশুদ্ধির মাধ্যমে নেগেটিভ চিন্তা, হতাশা, ডিপ্রেশনসহ বিভিন্ন মানসিক সংকট থেকে মানুষকে মুক্ত করে সুস্থ, স্থিতিশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ মানসিকতা গড়ে তোলা।

    ইসলামিক থট

    ইসলামের সঠিক, প্রামাণিক ও যুগোপযোগী উপস্থাপন নিশ্চিত করা। ইসলামের গভীর উপলব্ধি সৃষ্টি, ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা, কুরআন ও হাদীসে বিদ্যমান বৈজ্ঞানিক নিদর্শন (মুজিযা) নিয়ে গবেষণা এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে ইসলামীকরণের পথ সুগম ও কার্যকর করা।

    সেবা

    মানবতার সার্বিক কল্যাণে কাজ করা। ইসলামী মূল্যবোধ, ভ্রাতৃত্ব ও দায়িত্ববোধের চর্চার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠন এবং ঐক্যবদ্ধ উম্মাহ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখা।

    শিক্ষা

    শিক্ষা আমাদের ইবাদত ও সাধনা। একাডেমির লক্ষ্য—জ্ঞানীকে আরও উন্নতির সুযোগ প্রদান ও বঞ্চিতদের শিক্ষার পথ সুগম করা, দীন ও কর্মমুখী শিক্ষার বিস্তার ঘটানো।

    উম্মাহ

    উম্মাহ গঠনের লক্ষ্যেই আমাদের পথচলা— যে উম্মাহ দাওয়াহ ও ঈমানে দৃঢ়, সেবায় নিবেদিত; জ্ঞান–বিজ্ঞান ও সমাজ বিনির্মাণে অগ্রণী, নেতৃত্বে আত্মবিশ্বাসী ও স্বাবলম্বী; চরিত্রে মানবিক ও মধ্যপন্থী, কাজে ঐক্যবদ্ধ।